Monday, November 7

কানাইঘাটে লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিক সিলগালা ! ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা


নিজস্ব প্রতিবেদক: কানাইঘাট গাজী বোরহান উদ্দিন বাজারে লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিক ও ডায়গনষ্টিক সেন্টার পরিচালনার দায়ে ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে মোবাইল কোর্টে সাজা প্রদান, মিনি ক্লিনিক ও ডায়গনষ্টিক সেন্টার সিলগালা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিষ্ট্রেট তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিষ্ট্রেট তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া সোমবার বিকাল ২টায় সরেজমিনে বোরহান উদ্দিন বাজারে গিয়ে দেখতে পান সেখানে লাইসেন্স ব্যাতীত বোরহান উদ্দিন মেটারনিটি ক্লিনিক ও ডক্টরস চেম্বারে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছেন ডাঃ নামধারী ক্লিনিকের সত্ত্বাধিকারী উপজেলার শাহপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া ভূয়া ডাক্তার আব্দুল কাদের। একই বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে আনোয়ারা ডায়গনষ্টিক সেন্টার পরিচালনা করছেন স্থানীয় মির্জারগড় গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র ফয়জুল আমিন। এ ডায়গনষ্টিক সেন্টারের সাথে জড়িত মেডিকেল প্র্যাট্রিক্সরত জাহেদুল হাসান ও আবদাল মিয়া। এ সময় এ দু’টি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কর্মরতদের বৈধ চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া দেখাতে চাইলে তারা দেখাতে পারেনি। পরে তিনি দু’টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে লাইসেন্স ব্যাতীত অপচিকিৎসার দায়ে আটক করে বোরহান উদ্দিন মেটারনিটি ক্লিনিক ও ডক্টরস্ চেম্বারের মালিক ভূয়া ডাক্তার আব্দুল কাদের, আনোয়ারা ডাগনষ্টিক সেন্টারে ম্যানেজার ফয়জুল আমিন, ল্যাব টেকনেশিয়ান জাহেদুল হাসান ও আবদাল মিয়াকে তাঁর কার্যালয়ে উপস্থিত করে লাইসেন্স ব্যাতীরেকে চিকিৎসা প্রদানের অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আব্দুল কাদের ও ফয়জুল আমিনকে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান ও জাহেদুল হাসান, আবদাল মিয়াকে ৭ দিনের সাজা প্রদান করে রায় দেন। সাজা প্রাপ্তদের কানাইঘাট থানা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ অভিযানের নেতৃত্বের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবুল হারিছ, উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ, কানাইঘাট থানার এস.আই জুনেদ আহমদ।

শেয়ার করুন

0 comments:

পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়