Saturday, August 24

‘এনালগই ভালো ছিল’

যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,“এখন তো ডিজিটাল যুগ। আমি তো এনালগ যুগের ছাত্রনেতা। এর মিল কোথায় আর অমিল কোথায়? তবে চারদিকের দৃশ্যপট দেখে মাঝে মাঝে মনে হয়, এনালগই ভালো ছিল।” 
শনিবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। 
ছাত্রলীগের বর্তমান কার্যক্রমে হতাশা প্রকাশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “নিজেরা মারামারি করে ‘শক্তিহীন’ হয়ে যাওয়ার কারণেই ছাত্রলীগ এখন প্রতিপক্ষের আক্রমণের শিকার হচ্ছে।”
ছাত্রলীগের উদ্দেশে তিনি বলেন,“গতকাল বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের যে দৃশ্যপট আমরা দেখেছি, শোক দিবসের অনুষ্ঠানে কে আগে বসবে আর কে পরে বসবে, তা নিয়ে মারামারি। এটা দেখে টুঙ্গীপাড়ায় শুয়ে বঙ্গবন্ধু কি কষ্ট পাননি?”
তিনি বলেন,“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের হাত-পায়ের রগ কাটা হল। যশোরে দিনের বেলায় ছাত্রলীগের অফিসে হামলা হল। আর তোমরা কে আগে বসবে আর কে পরে বসে সেটা নিয়ে মারামারি কর?”
মন্ত্রী বলেন, "তুমি নিজে নিজে মারামারি করে শক্তিহীন হয়ে গেছ। তাই তোমার ওপর এ আক্রমণ। আমরা এখন ক্ষমতায় আর আমাদের কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছে। এটা শুনতে কেমন লাগে? আমি পূর্বসূরি হিসেব হতাশ।" 
ওবায়দুল কাদের বলেন,“রাজশাহীতে হামলা হলো, আমি এর প্রতিবাদে একটা মিছিলও দেখলাম না। পুলিশের ওপর নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠান আমরা চাই না। বিরোধী দলে গেলে পুলিশ কি থাকবে?”

মন্ত্রী বলেন,“বাবা ছাত্রলীগ করেছেন বলে ছেলেকেও ছাত্রলীগ করতে হবে- এরকম কর্মী আমাদের দরকার নাই। আমাদের দরকার চেতনায় উজ্জীবিত ছাত্রলীগ।”

তিনি বলেন, “অনেকে বলেন, ১৫ অগাস্টে যে জিয়া জড়িত এটার কি প্রমাণ আছে? আমি বলি, খুনিদের বিচার করার পরিবর্তে তাদেরকে পুরস্কৃত করা কি প্রমাণ নয়?”

বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “রাস্তায় বেরুলে দেখি, অমুকের নামে পোস্টার, তমুকের নামে পোস্টার। আমার নামে কোনো পোস্টার নেই। অনেকেই বঙ্গবন্ধু ছবি ব্যবহার করে, সেই পোস্টারে নিজের বড় একটা ছবি দিয়ে পোস্টার টানায়। বঙ্গবন্ধু ছবিসহ নিজের বড় ছবি দিয়ে পোস্টার টানিয়ে অপকর্ম করে বেড়াবে এটা চলতে দেয়া যায় না।” ---পরিবর্তন

শেয়ার করুন

0 comments:

পাঠকের মতামতের জন্য কানাইঘাট নিউজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়